যারা হারাম রিলেশনশিপে আছেন, তাদের জন্য একটা ছোট নাসীহাহ্ 

আপনি কি ভাবছেন, বিয়ের পর তো আমরা তওবা করে নিবো, ক্ষমা চেয়ে নিবো, আল্লহ্ অত্যন্ত ক্ষমাশীল। তিনি নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দিবেন, ইসলাম এতো কঠোর না!

তাহলে শুনুন, ইসলাম নিশ্চয়ই এতো টা সহজ নয় যে, কবীরা গুনাহ জানার পর ও আপনি দিনের পর দিন আপনার রবের সাথে জেনে শুনে নাফরমানী করবেন, তাঁকে তওবা করার প্রতিশ্রুতি দিবেন আর তিনি আপনাকে বিনা পাকড়াও ছাড় দিয়ে দিবে? নিশ্চয়ই নয়!  
 
মনে রাখবেন, ফিরাউন কে আল্লহ ছাড় দিয়েছিলেন কিন্তু ছেড়ে দেননি!

এই লেইম যুক্তি গুলো থেকে এবার একটু বেরিয়ে আসা যাক!  

১. আচ্ছা বিয়ের পর তওবা করবেন, যদি বিয়ে করার আগেই মরে যান? আপনি নিশ্চিত কিভাবে বিয়ে পর্যন্ত বেঁচে থাকবেন? কত মানুষই তো আমার আপনার বয়সী বিভিন্ন কারণে মারা যাচ্ছে। আপনার মৃত্যু বিয়ের আগে হবে না আপনি এতো নিশ্চিত কিভাবে? যদি এরকম ঘটে তাহলে কি হবে ভেবেছেন? এই যিনা- ব্যভিচারের শাস্তির জন্য প্রস্তুত তো?  

২. ফজিলতের মাহে রমজান মাস, রোজা রাখবেন, রাত জেগে তাহাজ্জুদ পরে আল্লাহর কাছে কতকিছু চাইবেন, হৃদয় গলিত অশ্রু টপাটপ ঝরবে। আপনি কি জানেন দো'আ কবুল না হওয়ার একটা কারণ হচ্ছে "হারামে লিপ্ত থাকা" একটা ছোট খামখেয়ালির জন্য নিজের আমল, ইবাদত, দ্বীন কে কেন হুমকির মুখে ফেলছেন?

৩. জেনে শুনে হারাম কে হারাম জেনেও ফিরে না আসাকে কি আপনার আল্লহর সাথে নাফরমানী মনে হয় না? তাকওয়ার সাথে সাংঘর্ষিক নয় কি ?  

৪. বেশিরভাগই পরিবারের অমতে বিয়ে করবেন। আপনারা কি জানেন মেয়ের অভিভাবক ছাড়া বিয়ে হয়না? 

আপনার জীবনসঙ্গী আগে থেকেই ফিক্সড করে রেখেছেন আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা, তার সাথেই আপনার বিয়ে হবে। তাহলে কেন আপনি হারামে!?

এই রিলেশনশীপ এর গ্যারান্টি কি? যে কোনো সময় ঝামেলা হতে পারে, ব্রেকাপ হতে পারে। ফ্যামিলি না মানতে পারে! তাহলে কার জন্য, কিসের আশায় রবের সাথে নাফরমানী করছেন?

একটু মন দিয়ে ভাবুন, আল্লহ্ নিশ্চয়ই উত্তম সাহায্যকারী, তার কাছে সাহায্যে চান। রবের নিকট প্রত্যাবর্তন করার এই তো সুযোগ !

সংগৃহীত ও পরিমার্জিত
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url