আজিমাত না রুখছাত? সিদ্ধান্ত আপনার।।
নারীদের পর্দার দুটো দিক আছে।যথা:---
১-আজিমাত
২-রুখছাত
#আজিমাত-আজিমাত হচ্ছে.....তার পুরো দেহ, মুখ, হাত, পা ঢেকে পর্দায় রাখবে।
শুধু বোরকা-হিজাব নয়;নিকাব,হাত মোজা,পা মোজাও পরতে হবে পরিপূর্ণ(খাস) পর্দার জন্য।
#রুখছাত- রুখছাত হচ্ছে..... একটা নারী
বোরখা পড়বে, হিজাব পরবে, কিন্তু তার ফেইস এবং দুই হাত খোলা রাখতে পারবে। কোনো নারী যদি চেহারা ও হাত খোলা রাখে তাহলে কেউ বলতে পারবে না সে পর্দা করেনি, সেও পর্দা করছে, তবে সে রোখছাতের উপর আমল করছে।তার পর্দা একেবারেই হয়নি তা না। সে চেষ্টা করছে এজন্য তাকে সাধুবাদ।
আর রোখছাত হচ্ছে আল্লাহর দেওয়া একটা উপহার।
----যারা রোখছাত পর্দা করে,
তাদের জন্যে আলহামদুলিল্লাহ।
আর.....
কিন্তু,যারা আজিমাত পর্দা করে;তাদের জন্যে মাশাআল্লাহ্, ছুম্মা আলহামদুলিল্লাহ।কারন এটা শুধু আল্লাহর দেয়া নিআমত নয় আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়ার এক রাস্তা।
__________________________
এবার বর্তমান সমাজের কথা নিয়ে.....
এখন বর্তমানে নারী দর্শন বেড়েছে,অনলাইনে বা সোস্যাল মিডিয়াতে পর্দা করেও ছবি পোস্ট করছে অথচ পর্দার মূল লক্ষ্য হল পরপুরুষ যেন দেহের আকার-আকৃতি না বোঝে বা আন্দাজ করতে না পারে পর্দার আড়ালে যুবতী আছে নাকি বয়স্কা।মূলত যারা কাজগুলো করছে বেশিরভাগই হয়তো পরিপূর্ণ পর্দা সম্পর্কে জানেনা বা তার দ্বারা ফিতনা হচ্ছে বুঝতে পারেনা বলেই করছে। তবে এর মাঝে এমন নারীও আছে যারা ইচ্ছাকৃতই দ্বীনদার পুরুষদের আকৃষ্ট করার জন্য কাজগুলো করে।আসলে নিয়্যাত তো অন্তরের বিষয় তাই কাউকে যাচাই করতে যাওয়া উচিত না নিজ অনুমানে।যদি এই নিয়তে পর্দা করা হয় তবে ছবি পোস্ট করাতেও ফিতনা হতে পারে কারন একেক পুরুষ একেকভাবে আকৃষ্ট হয়। কারো নিকাবে ঢাকা চোখ বা মোজা ছাড়া হাত-পা দেখেও কোন পুরুষ দূর্বল হতে পারে।বাস্তব জীবনে হাজার পুরুষের সামনে না গেলেও ছবির কারনে বেড়েছে ভয়াবহ আকারে ফিতনা!আস্তাগফিরুল্লাহ।এর ওপর পর্দা করেও যদি কোন বোন ফোনে বা ইনবক্সে বিনা প্রয়োজনে কথা বলে সেটাও পর্দা খিলাফ হয়ে যায়।কন্ঠস্বর শুনেও ফিতনা হতে পারে।এমনকি বারান্দা বা ছাদে কাপড়-অন্তর্বাস দেখেও কামনা বা অন্তরের যিনা করতে পারে এমন পুরুষেরা যাদের হৃদয়ে রোগ আছে। মানে যেসব পুরুষ আল্লাহভীরু তাকওয়াবান নয় তারা দ্বীন মেনেও ফিতনায় পরতে পারে।
একজন মু'মিনা কখনও চাইবেনা তার কারনে ফিতনার সৃষ্টি হোক।তাই ফিতনার এই সময়ে আমাদের "আজিমাত" মানে সম্পূর্ণ বা খাস পর্দা করা জরুরত।