Physiognomy (ফিজিওনামি)
ইলমুল কিয়াফাহ!
হাতের আঙুল:
১. কনিষ্ঠা-Baby Finger/ Pinky (خِنْصَر)।
২. অনামিকা (Ring Finger (بِنْصَر)।
৩. মধ্যমা (Middle Finger (وُسطَى)।
৪. তর্জনী (Index Finger (سَبَّابَة-شَهادَة)।
৫. বৃদ্ধাঙ্গুলি (Thumb Finger (إِبْهام)।
আরবরা প্রাচীন যুগ থেকেই একটি শাস্ত্র চর্চা করতো। সেটার নাম (علم القيافة)। এই শাস্ত্রে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখে বংশ নির্ণয় করা হতো। মানুষ, ঘোড়া ও উটের পদচিহ্ন থেকে গন্তব্য, সংখ্যা নির্ণয় করা হতো। আরো নানা বিষয় এই শাস্ত্রের আলোচ্যবিষয় ছিলো।
এই শাস্ত্রের পরিবর্তিত রূপ হলো ইলমুল ফিরাসাত। (Physiognomy:ফিজিওনামি)।
তবে এই শাস্ত্র ব্যবহার করে বংশ নির্ণয় করতে শরীয়ত নিষেধ করে। অর্থাৎ এই শাস্ত্রের সিদ্ধান্তকে অকাট্য মনে করে শরীয়তের বিধান জারি করতে নিষেধ করে। বুখারিতে মজার একটি বর্ণনা আছে। আম্মাজান আয়েশা রা. বর্ণনা করেছেন,
أنَّ رَسولَ اللَّهِ ﷺ دَخَلَ عَلَيْها مَسْرُورًا، تَبْرُقُ أسارِيرُ وجْهِهِ، فَقالَ: ألَمْ تَسْمَعِي ما قالَ المُدْلِجِيُّ لِزَيْدٍ، وأُسامَةَ، ورَأى أقْدامَهُما: إنَّ بَعْضَ هذِه الأقْدامِ مِن بَعْضٍ
একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন এত প্রফুল্ল অবস্থায় যে, তার চেহারার চিহ্নগুলি চমকাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয (চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী) যায়িদ বিন হারিসা এবং উসামা বিন যায়িদ এর দিকে সন্ধানী দৃষ্টিতে তাকিয়েছে। এরপর সে বলেছে, এদের দু’জনের কদম একে অপর থেকে (বুখারি: ৩৫৫৫)।
ঘটনা হলো, যায়েদ বিন হারেসার গাত্রবর্ণ ছিলো একেবারে তুলোর মতো শুভ্রশাদা। তার ছেলে ‘উসামা’র গাত্রবর্ণ ছিলো নিকষ কালো। দুষ্টলোক মুনাফিকরা উসামার বংশ পরিচয় নিয়ে কানাঘুষা করত। এমন শাদা বাবার ঔরস থেকে এমন কালো ছেলের জন্ম হতেই পারে না। মুনাফিকদের এহেন কুৎসা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভীষণ পীড়া দিত। যায়েদেক তিনি পুত্রের মতো আদর করতেন। আর উসামা তো ছিলেন নবীজির চোখের মণি।
একদিন ঘটনাক্রমে যায়েদ-উসামা (বাপবেটা) এক বিছানায় মুখ ঢেকে শুয়ে ছিলেন। তবে দুজনেরই পা উদোম ছিলো। সেখানে বিশিষ্ট ইলমুল কিয়াফা বিশেষজ্ঞ সাহাবী মুজাযযিয বিন আওয়ার রা. উপস্থিত ছিলেন। তিনি বাপবেটার পা দেখেই বলে উঠেছিলেন,
‘এই দুজনের একজন বাপ, আরেকজন বেটা’।
আরবরা ইলমুল কিয়াফাকে দিব্যজ্ঞানের মতো বিশ্বাস করত। হযরত মুজাযযিযের এনালিসিস শুনে নবীজি স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লেন। মুনাফিকরাও কানাঘুষা বন্ধ করে দিলো। আসলে ব্যাপার ছিলো, যায়েদ বিন হারেসার স্ত্রী উম্মে আইমান ছিলেন ‘কালো বর্ণের। উসামা মায়ের গাত্রবর্ণ পেয়েছিলেন।
যাক এবার মূলকথায় আসি।
বামহাতের আঙুল দিয়ে ‘জাত’ নির্ণয় প্রক্রিয়া।
এটা কোনো অকাট্য কিছু নয়।
এই দৃশ্যে তিনটি জাতির পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
কোন আঙুল বেশি লম্বা, অনামিকা নাকি তর্জনী?
A. আরব। অনামিকা তর্জনীর চেয়ে লম্বা।
B. পারসিক। তর্জনী অনামিকার চেয়ে লম্বা।
C. আফ্রিকান। তর্জনী ও অনামিকা সমান।
হাতের আঙুল:
১. কনিষ্ঠা-Baby Finger/ Pinky (خِنْصَر)।
২. অনামিকা (Ring Finger (بِنْصَر)।
৩. মধ্যমা (Middle Finger (وُسطَى)।
৪. তর্জনী (Index Finger (سَبَّابَة-شَهادَة)।
৫. বৃদ্ধাঙ্গুলি (Thumb Finger (إِبْهام)।
আরবরা প্রাচীন যুগ থেকেই একটি শাস্ত্র চর্চা করতো। সেটার নাম (علم القيافة)। এই শাস্ত্রে মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দেখে বংশ নির্ণয় করা হতো। মানুষ, ঘোড়া ও উটের পদচিহ্ন থেকে গন্তব্য, সংখ্যা নির্ণয় করা হতো। আরো নানা বিষয় এই শাস্ত্রের আলোচ্যবিষয় ছিলো।
এই শাস্ত্রের পরিবর্তিত রূপ হলো ইলমুল ফিরাসাত। (Physiognomy:ফিজিওনামি)।
তবে এই শাস্ত্র ব্যবহার করে বংশ নির্ণয় করতে শরীয়ত নিষেধ করে। অর্থাৎ এই শাস্ত্রের সিদ্ধান্তকে অকাট্য মনে করে শরীয়তের বিধান জারি করতে নিষেধ করে। বুখারিতে মজার একটি বর্ণনা আছে। আম্মাজান আয়েশা রা. বর্ণনা করেছেন,
أنَّ رَسولَ اللَّهِ ﷺ دَخَلَ عَلَيْها مَسْرُورًا، تَبْرُقُ أسارِيرُ وجْهِهِ، فَقالَ: ألَمْ تَسْمَعِي ما قالَ المُدْلِجِيُّ لِزَيْدٍ، وأُسامَةَ، ورَأى أقْدامَهُما: إنَّ بَعْضَ هذِه الأقْدامِ مِن بَعْضٍ
একদিন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে এলেন এত প্রফুল্ল অবস্থায় যে, তার চেহারার চিহ্নগুলি চমকাচ্ছিল। তিনি বললেনঃ তুমি কি দেখনি যে, মুজাযযিয (চিহ্ন ধরে বংশ উদঘাটনকারী) যায়িদ বিন হারিসা এবং উসামা বিন যায়িদ এর দিকে সন্ধানী দৃষ্টিতে তাকিয়েছে। এরপর সে বলেছে, এদের দু’জনের কদম একে অপর থেকে (বুখারি: ৩৫৫৫)।
ঘটনা হলো, যায়েদ বিন হারেসার গাত্রবর্ণ ছিলো একেবারে তুলোর মতো শুভ্রশাদা। তার ছেলে ‘উসামা’র গাত্রবর্ণ ছিলো নিকষ কালো। দুষ্টলোক মুনাফিকরা উসামার বংশ পরিচয় নিয়ে কানাঘুষা করত। এমন শাদা বাবার ঔরস থেকে এমন কালো ছেলের জন্ম হতেই পারে না। মুনাফিকদের এহেন কুৎসা নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভীষণ পীড়া দিত। যায়েদেক তিনি পুত্রের মতো আদর করতেন। আর উসামা তো ছিলেন নবীজির চোখের মণি।
একদিন ঘটনাক্রমে যায়েদ-উসামা (বাপবেটা) এক বিছানায় মুখ ঢেকে শুয়ে ছিলেন। তবে দুজনেরই পা উদোম ছিলো। সেখানে বিশিষ্ট ইলমুল কিয়াফা বিশেষজ্ঞ সাহাবী মুজাযযিয বিন আওয়ার রা. উপস্থিত ছিলেন। তিনি বাপবেটার পা দেখেই বলে উঠেছিলেন,
‘এই দুজনের একজন বাপ, আরেকজন বেটা’।
আরবরা ইলমুল কিয়াফাকে দিব্যজ্ঞানের মতো বিশ্বাস করত। হযরত মুজাযযিযের এনালিসিস শুনে নবীজি স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়লেন। মুনাফিকরাও কানাঘুষা বন্ধ করে দিলো। আসলে ব্যাপার ছিলো, যায়েদ বিন হারেসার স্ত্রী উম্মে আইমান ছিলেন ‘কালো বর্ণের। উসামা মায়ের গাত্রবর্ণ পেয়েছিলেন।
যাক এবার মূলকথায় আসি।
বামহাতের আঙুল দিয়ে ‘জাত’ নির্ণয় প্রক্রিয়া।
এটা কোনো অকাট্য কিছু নয়।
এই দৃশ্যে তিনটি জাতির পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে।
কোন আঙুল বেশি লম্বা, অনামিকা নাকি তর্জনী?
A. আরব। অনামিকা তর্জনীর চেয়ে লম্বা।
B. পারসিক। তর্জনী অনামিকার চেয়ে লম্বা।
C. আফ্রিকান। তর্জনী ও অনামিকা সমান।
ইলমুল ফিরাসত নিয়ে আমাদের মজার একটি পোস্ট আছে।
আর হাঁ, আপনি কোন জাতি?
আমি ‘বি’।
(আবার খেয়াল করে দেখলাম, ‘এ’)।
বাঙালির এনথ্রোপলজিক্যাল বা নৃতাত্ত্বিক কোনো স্বাতন্ত্র্য নেই। বাঙালি সংকর মানে মিশ্র জাতি। বাঙালির শরীরে বহুজাতির রক্ত মিশে আছে।
আর হাঁ, আপনি কোন জাতি?
আমি ‘বি’।
(আবার খেয়াল করে দেখলাম, ‘এ’)।
বাঙালির এনথ্রোপলজিক্যাল বা নৃতাত্ত্বিক কোনো স্বাতন্ত্র্য নেই। বাঙালি সংকর মানে মিশ্র জাতি। বাঙালির শরীরে বহুজাতির রক্ত মিশে আছে।