লালন ও বাউল
🟥 লালন ও বাউল মতবাদ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অজানা কিছু দলিলভিত্তিক তথ্যঃ
তাদের কিছু ভয়ঙ্কর লোমহর্ষক কাজ ও ভ্রান্ত আকীদা আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।
১। বাউলদর্শনের মুল ভিত্তি হচ্ছে দেহতত্ত্ব। তাদের মতে সমস্ত প্রাণীর দেহের মধ্যেই আল্লাহ বিরাজমান। সে হিসাবেই তারা বলে যত কাল্লা তত আল্লাহ। তারা
কুকুরকেও আল্লাহ বলে। (নাউযুবিল্লাহ)
২। বাউলসম্রাট লালন শাহ মুসলমানদের সুন্নতে খৎনা
নিয়ে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে বলে,
"যদি ছুন্নত দিলে হয় মুসলমান,
নারীর তবে কি হয় বিধান?"
এরা মুসলিম না, কবিতার এই চরণ দ্বারা বুঝা যাচ্ছে। এরা
নাস্তিক। মুসলিম অনুশাসন তারা মানেনা।
৩। প্রেমভাজা: বাউলদের প্রেমভাজা নামক একটি খাদ্য রয়েছে যা তাদের কাছে অনেক পূন্যের ও সাধনার। এটা তারা আপনি আশ্চর্য হবেন শোনে এটা কি দিয়ে তৈরি
হয়! মেয়েদের হায়েযের রক্ত (মিন্স), পুরুষের বীর্য, মল, প্রস্রাব দিয়ে তৈরী হয় এই প্রেমভাজা। এই প্রেমভাজা অনেক আগ্রহভরে প্রাণ করে।
৪। কুমারী মেয়েদের হায়েজ(মিন্স) অনেক পবিত্র এদের কাছে। এরা মনে করে কুমারীর হায়েজ (মিন্স), মেয়েদের স্তনের দুধের সাথে প্রস্রাব একত্রে মিশিয়ে খেলে রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ও সর্বরোগমুক্তি হয়। (আস্তাগফিরুল্লাহ)। এই খাদ্য তারা নিয়মিত খাদ্যতালিকায় রাখে। অথচ এই জিনিসগুলো আল্লাহ হারাম ঘোষণা করেছেন।
৫। একজন বাউলের একাধিক সেবাদাসী থাকে। এদের অধিকাংশই কমবয়সী মেয়ে। (বা.বা পৃ ৩৫০,
৩৮২)
৬।এদের নিয়ে বাউলতত্ত্ব বইয়ে লেখা হয়েছে, "মৈথুন ও যৌনাচার এই ধর্মের অঙ্গিভূত। এদের উপরিভাগে সূফিবাদের প্রাধান্য এবং অভ্যন্তরে যোগনির্ভর দেহযোশ সাধনা। এরা ব্রাহ্মণ্য ধর্ম ও শরীয়তি ইসলামের বেড়া ভেঙে নিজেরা মনমতো করে একটা পথ তৈরী করে নিয়েছে। তাদের কোন ধর্ম নেই। দেখুন তারা কি বলে-
কালী কৃষ্ণ গড খোদা
কোন নামে নাহি বাধা
মন কালী কৃষ্ণ গড খোদা বলো রে।” (বাউলতত্ত্ব পৃঃ ৫৩-৫৪)
৭। লালন শাহের অনুসারীদের একটি অংশ ১৯৮৬ সালের
মার্চ মাসে কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসকের দপ্তরে একজন মুসলমান অধ্যাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন,
“আমরা বাউল। আমাদের ধর্ম আলাদা। আমরা না-মুসলমান, না-হিন্দু। আমাদের নবী সাঁইজি লালন
শাহ। তাঁর গান আমাদের ধর্মীয় শ্লোক। সাঁইজির
মাজার আমাদের তীর্থভূমি।।…আমাদের গুরুই
আমাদের রাসুল।" …ডক্টর সাহেব [অর্থাৎ উক্ত মুসলিম
অধ্যাপক] আমাদের তীর্থভূমিতে ঢুকে আমাদের
ধর্মীয় কাজে বাধা দেন। কোরান তেলাওয়াত
করেন, ইসলামের কথা বলেন… এ সবই আমাদের
তীর্থভূমিতে আপত্তিকর। আমরা আলাদা একটি জাতি।
৮। তাদের কালেমাও আলাদা –লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু লালন
রাসুলুল্লাহ।“ (দ্রঃ সুধীর চক্রবর্তী, ব্রাত্য
লোকায়ত লালন, ২য় সংস্করণ, আগস্ট ১৯৯৮ পৃঃ ৪-৯৫)।
১৯৩২ সালে, ১৯৪২ এবং ১৯৮৪ সালে বাউলদের তওবা
পড়ানো হয় কিন্তু আজ অবধি তারা তাদের ভয়ঙ্কর আকীদা থেকে ফিরে আসতে পারেনাই।
উপরে যা যা বলা হয়ে এর একটাও কোন বানোয়াট গল্প নয়। লালনের সাথে কোন ব্যক্তিগত শত্রুতা আমার নাই। তাদের নিয়ে যেটায় বলা হয়েছে তার প্রত্যেকটারই রেফারেন্স ব্যবহার করা হয়েছে। সত্যপিপাসুরা চাইলে মিলিয়ে দেখবেন।
পরিশেষে কিছু কথা। যারা বলে তাদের রাসূল হচ্ছে সাঁইজি। যারা বলে খোদা, ভগবান, আল্লাহ,গড সবই এক। যারা পুরুষের শুক্রান্ত, নারীর হায়েজের রক্ত, মল ও মূত্র খাওয়াকে সাধনার বিষয় মনে করে, যারা অল্পবয়সী নারীদের সঙ্গলাভের আশায় ভন্ডামী করে বেড়ায়, যারা নারী পুরুষের অবাধ মেলামেশাকে সাধনার কাজ মনে করে, যারা কুরআনের তিলাওয়াতকে ঘৃণা করে, যারা কোন ধর্মকে বিশ্বাস করে না (মানে সকল ধর্মকে এক ধর্মে নিয়ে আসতে চায়) তাদেরকে কীভাবে আপনি সাপোর্ট করতে পারেন? কীভাবে তাদেরকে মহাপুরুষ আখ্যা দিতে পারে? হ্যাঁ তারা সমঅধিকাকারের কথা বলে যেটা ভালো। কিন্তু এই ভালোটা কী আমাদের ধর্মে বলা হয়নি? কেন ওই জানোয়ারদের থেকে নিতে হবে? আপনি কবে মানুষ হবেন?
এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটা দেখুন।
https://youtu.be/y09z_NSmLeE