ফ্রি গুনাহ

ধরুন, একটা ভিডিও দেখলেন, মিউজিকসহ অথবা নারী, গালাগালি, অ/শ্লী/লতাসহ। অর্থাৎ যেসব জিনিস একটা ভিডিও, ছবি বা লিখাকে হারামের কাতারে ফেলে; সেসব আছে এমন কিছু আপনি দেখলেন। শেষ? না!
এখানে শেষ করলে তো গুনাহ কম হবে। শয়তানের ট্রিক বাকি এখনো।

অনেক ভাই-বোন হারাম কন্টেন্ট দেখার পর এতে কমেন্টও করেন, রিয়েক্টও মারেন! এতে তার গুনাহ প্রকাশ হয়ে পড়ে আবার তার ফ্রেন্ডলিস্টের অনেকের নিউজফিডে কন্টেন্টটা চলে যায় তার কমেন্ট এর কারণে! (রিয়েক্ট এর কারণে ইউনিভার্সালি পোস্টের রিচ বাড়তে পারে অর্থাৎ এই হারাম জিনিস ছড়িয়ে দিতে আপনি সাহায্য করছেন!) এখন যার নিউজফিডে গেলো সে যদি এটা দেখে, তাহলে তার গুনাহের ভাগিদার হওয়া লাগতে পারে! যদি নাও দেখে, হারাম জিনিস তার সামনে উপস্থাপন করার দায় নিতে হবে না? কাউকে মেনশন দেওয়ার কথা বাদ দিলাম। এটা তো স্পষ্ট বেহায়াপনা এবং হারামের দিকে আহবান!

শেয়ার করা তো স্পষ্ট গুনাহের কাজ। একজন মানুষ কোনো কিছু শেয়ার করে মানুষকে দেখানোর জন্য। অর্থাৎ এসব শেয়ার দেওয়া মানে ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষের সামনে গুনাহের টোপ ফেলা! এসব কেউ না দেখলেও গুনাহ হওয়ার সম্ভাবনা আছে! কেউ দেখে ফেললে তো কথাই নেই।

লাইক-কমেন্টের ক্ষেত্রে আল্লাহ চাইলে হয়ত সেটা অন্য কারও নিউজফিডে নাও যেতে পারে। কিন্তু শেয়ারের ক্ষেত্রে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নিশ্চিত! যদি নাও যায়, আপনার প্রোফাইলে তো সেটা থাকবে; অর্থাৎ আপনার প্রোফাইলে আপনি মানুষের জন্য গুনাহের টোপ ফেলে রাখছেন! (লাইক-কমেন্টের ক্ষেত্রে পোস্ট প্রোফাইলে আসে না।)

মন খারাপের কিছু নাই। মুসলিম হিসেবে আমাদের হারাম-হালাল বেছে চলতে হবে। এটা এখন খুবই জরুরী।

আল্লাহ আমাদের এসব থেকে বেঁচে থাকার তৌফিক দান করুন। আসসালামু আলাইকুম।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url