জান্নাতের নিশ্চয়তা এবং দুনিয়ায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত
জবানের হেফাজত করতে পারলে জান্নাতের নিশ্চয়তা এবং দুনিয়ায় নিরাপত্তা সুনিশ্চিত!
আমাদের গোপন এমন অনেক বিষয় আছে, যা প্রকাশ পেলে প্রচণ্ড লজ্জিত হতে হবে। সেজন্য মানুষের ব্যাপারে আমরা যদি আমরা আমাদের জবানে লাগাম পরাতে পারি, তাহলে আল্লাহ আমাদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
مَنْ خزنَ لسانَهُ سترَ اللهُ عَوْرَتَهُ
‘‘যে তার জিহ্বাকে হেফাজত করবে, আল্লাহ আল্লাহ তার গোপনীয়তা ঢেকে রাখবেন।’’ [ইমাম দুলাবি, আল-কুনা ওয়াল আসমা: ১০৮২; শায়খ আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ২৩৬০; হাদিসটির সনদ হাসান]
রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য একটি হাদিসে বলেছেন—
مَنْ يَضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মাঝখান (জিহ্বা) এবং দুই রানের মাঝখান (লজ্জাস্থান)-এর (হেফাজতের) নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জান্নাতের দায়িত্ব নেবো।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪৭৪]
দুনিয়াতে অধিকাংশ পাপ সংঘটিত হয় জিহবা ও যৌনাঙ্গের মাধ্যমে। তাই, এ দুটোকে যে সংযত করবে, নবিজি তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
অন্য একটি হাদিসে জিহ্বার হেফাজতকে মুক্তির উপায় বলা হয়েছে।
উকবাহ ইবনু আমির (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম ‘হে আল্লাহর রাসুল! মুক্তির উপায় কী?’ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
أَمْسِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ
‘‘তোমার জিহ্বা আটকে রাখো, তোমার ঘর যেন তোমার জন্য প্রশস্ত হয় (অর্থাৎ ফিতনা থেকে দূরে থেকে যথাসাধ্য ঘরে অবস্থান করো) এবং তোমার পাপের জন্য ক্রন্দন করো।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৪০৬; হাদিসটি সহিহ]
#Tasbeeh
আমাদের গোপন এমন অনেক বিষয় আছে, যা প্রকাশ পেলে প্রচণ্ড লজ্জিত হতে হবে। সেজন্য মানুষের ব্যাপারে আমরা যদি আমরা আমাদের জবানে লাগাম পরাতে পারি, তাহলে আল্লাহ আমাদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখবেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
مَنْ خزنَ لسانَهُ سترَ اللهُ عَوْرَتَهُ
‘‘যে তার জিহ্বাকে হেফাজত করবে, আল্লাহ আল্লাহ তার গোপনীয়তা ঢেকে রাখবেন।’’ [ইমাম দুলাবি, আল-কুনা ওয়াল আসমা: ১০৮২; শায়খ আলবানি, সিলসিলা সহিহাহ: ২৩৬০; হাদিসটির সনদ হাসান]
রাসুলাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য একটি হাদিসে বলেছেন—
مَنْ يَضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الْجَنَّةَ
‘‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মাঝখান (জিহ্বা) এবং দুই রানের মাঝখান (লজ্জাস্থান)-এর (হেফাজতের) নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জান্নাতের দায়িত্ব নেবো।’’ [ইমাম বুখারি, আস-সহিহ: ৬৪৭৪]
দুনিয়াতে অধিকাংশ পাপ সংঘটিত হয় জিহবা ও যৌনাঙ্গের মাধ্যমে। তাই, এ দুটোকে যে সংযত করবে, নবিজি তাকে জান্নাতে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
অন্য একটি হাদিসে জিহ্বার হেফাজতকে মুক্তির উপায় বলা হয়েছে।
উকবাহ ইবনু আমির (রা.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম ‘হে আল্লাহর রাসুল! মুক্তির উপায় কী?’ নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন—
أَمْسِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ وَابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ
‘‘তোমার জিহ্বা আটকে রাখো, তোমার ঘর যেন তোমার জন্য প্রশস্ত হয় (অর্থাৎ ফিতনা থেকে দূরে থেকে যথাসাধ্য ঘরে অবস্থান করো) এবং তোমার পাপের জন্য ক্রন্দন করো।’’ [ইমাম তিরমিযি, আস-সুনান: ২৪০৬; হাদিসটি সহিহ]
#Tasbeeh