ফিরতে চাই, ইয়া রব। সাহায্য করো।

 “ভোগ করে নাও, অচিরেই তোমরা জানতে পারবে।” (সূরা নাহল : ৫৫)

তোমরা আবারও একসাথে সমবেত হবে,

“যে দিন এই পৃথিবী পরিবর্তিত হয়ে অন্য পৃথিবী হবে এবং আকাশও (পরিবর্তিত হবে) আর মানুষ উপস্থিত হবে - আল্লাহর সামনে — যিনি এক, পরাক্রমশালী।” (সুরা ইবরাহিম : ৪৮)

সেদিন আর তোমাদের মুখে থাকবে না কোন উল্লাস, সেদিন থেমে যাবে সব হইচই, সেদিন তোমরা ভয়ার্ত, বিহবল দৃষ্টিতেে এমনি করে তাকিয়ে থাকবে সমুখপানে।

“(এবং বলা হবে) ‘তোমরা যে আমল করতে আজ তার প্রতিদান দেয়া হবে’।”(সূরা জাসিয়া : ২৮)

সেদিন তোমরা "বন্ধুরা হবে একে অপরের শত্রু।" (সুরা আয-যুখরুফ : ৬৭)

“আর তোমাদের (চিরস্থায়ী) ঠিকানা হবে জাহান্নাম এবং তোমাদের কোন সাহায্যকারীও থাকবে না’। (সূরা জাসিয়া : ৩৪)

যাদের প্রেমে মত্ত হয়ে তোমরা আজ তোমাদের রবকে ভুলে আছো, সেদিন তারাও তোমাদের সাথেই থাকবে। কিন্তু হায়! সেদিন 

“কেউ কারও কোনো উপকারে আসবে না, কারও কোনো সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না। কারও থেকে কোনো বিনিময় গ্রহণ করা হবে না এবং তারা কোনো সাহায্য পাবে না।” (সূরা বাকারা : ৪৮)

সেদিন বাঁচার আকুতিতে তোমরা তাদেরকে বলবে,

“দুনিয়ায় আমরা তোমাদের অনুসারী ছিলাম, এখন কি তোমরা আল্লাহর আযাব থেকে আমাদের বাঁচাবার জন্যও কিছু করতে পার?

তারা জবাব দেবে,

“আল্লাহ যদি আমাদের মুক্তি লাভের কোন পথ দেখাতেন তাহলে আমরা নিশ্চই তোমাদেরও দেখিয়ে দিতাম। এখন তো সব সমান, কান্নাকাটি করো বা সবর করো-সর্বাবস্থায় আমাদের বাঁচার কোন পথ নেই।”(সুরা ইব্রাহিম:২১)

বন্ধুরা, সাবধান হও, ফিরে আসো, তোমাদেরকে তো আমরা শুধু এটুকুই বলতে পারি,

“আল্লাহকে ভয় কর। প্রত্যেকে ভেবে দেখুক আগামীকালের জন্য সে কী অগ্রিম পাঠিয়েছে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। তোমরা যা কর আল্লাহ সে সম্পর্কে জানেন।” (সূরা হাশর :১৮)

তোমরা ফিরবে কি?

Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url