আলিমদের মতপার্থক্য ও আমাদের অজুহাত!

৹ একই রোগীর একই রোগের জন্য ভিন্ন ভিন্ন চিকিৎসক ভিন্ন ভিন্ন ওষুধ দেন।
৹ একই মামলায় ভিন্ন ভিন্ন আইনজীবীর ভিন্ন ভিন্ন মত থাকে।
৹ একই জায়গাতে ভিন্ন ভিন্ন প্রকৌশলী ভিন্ন ভিন্ন ডিজাইন করেন।
৹ একই খাতাতে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন লেখা লিখেন।
৹ একই টেবিলে ভিন্ন ভিন্ন মানুষ ভিন্ন ভিন্ন কাজ করেন।

এসবে সমস্যা নেই, সমস্যা হলো - একই মাসআলাতে মৌলভী কেন ভিন্ন মত দিল!

ভাই আমার, চিকিৎসকদের মতপার্থক্যের কারণে তাদের থেকে চিকিৎসা নেওয়া তো বন্ধ করি না, আইনজীবীর মতপার্থক্যের জন্য তার সেবা নেওয়া বন্ধ করি না, প্রকৌশলীদের কাজের পার্থক্য থাকলেও তাদের কাছে যাওয়া বন্ধ করি না, একই কাজ একেকজন একেক রকম করে করলে তাদের সাথে চলাচল করা বন্ধ করি না — কিন্তু আলিমদের কোনও মতপার্থক্য দেখলেই অজুহাত বের করি!

যদি এরকম সত্যই আমার মাঝে হয় - আমি আসলে শরীআতের জন্য অজুহাত খুঁজছিলাম এবং আল্লাহকে ফাঁকি দিচ্ছিলাম।

আলিমদের মাঝে যত মতপার্থক্য আছে, এগুলোর অধিকাংশ হলো - সুন্নাত/ মুস্তাহাব/ মুবাহ নিয়ে।কারে মতে এটা উত্তম আর কারো মতে ওটা অধিক উত্তম।আপনি একটা করলে সমস্যা নেই, এখানে কোনটা বেশি ভালো এটা নিয়ে মতপার্থক্য হচ্ছে।

আসলে - আপনি আপনার পছন্দের ধারার সাথে মিলে আমল করতে থাকেন। অন্যকে আক্রমণ করবেন না, এতটুকুই যথেষ্ট।

[ তর্ক বিতর্ক করার কোনও দরকার নেই, সাধারণ মানুষের জন্য। ]
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url