রমাযানের রোযা সংক্রান্ত কয়েকটি মাসআলা
রমাযানের রোযা সংক্রান্ত কয়েকটি মাসআলা-
★ওজরের কারণে রোয রাখতে না পারলে কি তারাবীহ পড়তে হয় না?
- হাঁ, পড়তে হয়।
★ তারাবীহর নামায একাকী পড়লে কি আদায় হয় না এবং সওয়াব পাওয়া যাবে না?
- হাঁ, আদায় হয় এবং সওয়াবও হয়। তারাবীহের জামাআত তরক করলে গোনাহ হবে না।
★ফরজ গোসল অবস্থায় কি সাহরী খাওয়া যায় না?
- যায়, বরং হাত মুখ ধুয়ে সাহরী খেয়ে নিবে এবং রোযা রাখবে।
★ ফরজ গোসল অবস্থায় কি রোযা রাখা যায় ?
- অবশ্যই যায়। তবে গোসল করে নামায আদায় করা ফরজ।
★ নামায না পড়লে কি রোযা রাখা যায় না?
- যায়। নামায ও রোযা পৃথক পৃথক ফরজ। একটির জন্য আরেকটি শর্ত নয়।
★সেহেরী খেতে না পারলে কি রোযা হবে না?
- হবে। সেহরী খাওয়া সুন্নাত মাত্র। জরুরি নয়।
★ঘুমানোর পূর্বে সেহরী খেয়ে রোযা রাখা যায় ?
- যায়।
★ঘুমের কারণে সাহরী খেতে না পারলে কী করণীয়?
- যখনই জেগে ওঠবে, তখন রোযার নিয়ত করে নিবে। অর্ধদিবসের পূর্বে নিয়ত করে নিলে রোযা হয়ে যাবে। অর্ধদিবস হলো সাহরীর শেষ সময় থেকে ইফতারীর সময়ের মধ্যবর্তী সময়।
★স্বপ্নদোষ হলে রোযা ভেঙে যায়?
- না।
# হস্তমৌথন করলে কি রোযা ভেঙে যাবে?
- হাঁ, ভেঙে যাবে এবং একটি রোযা পরে কাযা করতে হবে।
# হিজামা বা সিঙ্গা নিলে কি রোজা ভেঙে যাবে?
- না, ভাঙ্গবে না।
# গোশ্তে ইনজেকশন বা রগে সেলাইন নিলে কি রোযা ভাঙ্গবে?
- না, ভাঙ্গবে না।
# থুথু গিলে ফেললে কি রোযা ভেঙে যাবে?
- নিজের থুথু গিলে ফেললে রোযা ভাঙ্গবে না। হাঁ, স্বামী যদি স্ত্রীর থুথু, অথবা স্ত্রী যদি স্বামীর থুথু গিলে ফেলে, তা হলে রোযা ভেঙে যাবে।
# রক্ত দিলে বা নিলে কি রোযা ভেঙে যাবে?
- না, ভাঙ্গবে না।
৩০শাবান ১৪৪৪হিজরী