গান লাগিয়ে স্টোরি!!!
গান লাগিয়ে স্টোরি দেয়া মানুষগুলোকে বেশ দরদ নিয়ে বলছি -
আপনার রাসূল একদা জাস্ট বাঁশির আওয়াজ শুনে কানে আঙ্গুল চেপে ধরেছিলেন। যতক্ষণ সেই আওয়াজ শুনা যাচ্ছিলো, ততক্ষণ।
এছাড়াও তিঁনি বলেছেন,
'আমি বাদ্য-যন্ত্র ও মূ/র্তি ধ্বং/স করার জন্য প্রেরিত হয়েছি।'
সল্লাল্ল-হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!
আজকাল গান লাগিয়ে যারা ডে বা স্টোরি শেয়ার দিচ্ছেন তারা ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতে পারেন।
যে বিষয়টাতে আপনার প্রিয়নবীর এতটা অনীহা ছিল; আপনি সেই বিষয়টাকে খুব করে প্রচার করছেন। প্রসার করছেন।
যে বিষয়টাকে নির্মূল করার জন্য আপনার রাসূল এসেছিলেন, আপনি সেটাকে প্রতিষ্ঠিত করছেন।
নাউযুবিল্লা-হ্!
আসতাগফিরুল্ল-হ!
আমার জানাশুনা অনেক মানুষ আছে যারা অনেক বছর যাবত হারাম গান বাজনা শুনেন না।
মিনিমাম মিউজিক কোথাও থাকলে সেটা এড়িয়ে চলেন।
কিন্তু আপনার স্টোরি ভিউ করতে গিয়ে ওনি গান শুনে ফেলছেন।
গান প্রচারকারীরা যদি স্টোরির সেই ২৪ ঘন্টা পার হওয়ার পর আপনাদের আমলনামা দেখতে পেতেন; তাহলে দেখতেন কি বিপুল পরিমাণ গুনাহ্ আপনার খাতায় খাতায় লিপিবদ্ধ হয়ে গিয়েছে।
আমরা যেই অনুপাতে দলে দলে রব্বে কারীমের অবাধ্যতায় লিপ্ত হব, ঠিক সেই অনুপাতে আমাদের ভোগতে হবে।
অথচ সেই আমরাই মহামারী, দূর্যোগ, শাসকদলের জুলুম, মুদ্রাস্ফীতি, দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, দূর্নীতি, পদে পদে ভোগান্তি, সড়ক দুর্ঘটনা এগুলো হলে বলবো;
কি পাপ করেছিলাম? এত আপদ কেন?
মুসলিম সচেতন হবে।
ময়লার স্রোতে গাঁ ভাসাবে না।
দুনিয়া ও আখিরাতের লাভ ক্ষতি চিন্তা করবে। কাজটা কতটা যুক্তিযুক্ত। অনর্থক কিংবা নিরর্থক কিনা। একাজে পদস্খলন আছে কিনা।
রব্বের কারীমের সন্তুষ্টি আছে কিনা।
রাসূলুল্লাহর পছন্দনীয় ছিল নাকি নিন্দনীয়।
এগুলো ভাবতেই হবে মুসলিমকে। কারণ, তার গন্তব্য ভিন্ন; তার গন্তব্য জান্নাত!