আল্লাহ সুবাহানাহু ওয়া তা'য়ালা আমাদের বিভিন্নভাবে পরীক্ষা করেন।
সম্পদ দিয়ে, অভাব দিয়ে, সুস্থতা বা অসুস্থতা দিয়ে, স্নেহময় স্ত্রী বা সন্তান দিয়ে, সুখী জীবন দিয়ে, দীর্ঘ আয়ু দিয়ে। আবার, কাউকে নিঃসন্তান রেখে, রিযিক সংকুচিত করে, নানা পেরেশানি দিয়ে, দুঃখময় জীবন দিয়ে, অল্প আয়ু দিয়ে, মৃত্যু দিয়ে।
আল্লাহ ﷻ বলেছেন,
মুমিন নারী-পুরুষের উপর, তার সন্তানের উপর ও তার ধন-সম্পদের উপর অনবরত বিপদাপদ লেগেই থাকে। সবশেষে আল্লাহ্ তা'আলার সাথে সে গুনাহমুক্ত অবস্থায় মিলিত হয়। (তিরমিযী:২৩৯৯)
আল্লাহু আকবার, বিপদাপদও বান্দার জন্য কতবড় নিআমত।
নিম্নোক্ত দুয়াটি বিপদাপদে অত্যন্ত কার্যকর।
إِنَّا لِلّٰهِ وَإِنَّآ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللّٰهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَاخْلُفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
উচ্চারণঃ "ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলায়হি র-জিউন, আল্ল-হুম্মা' জুৱনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খয়রাম মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্ল-হু লাহ খয়রাম মিনহা-” (দুয়া আরবি দেখে পড়া উত্তম)
অর্থ: আমরা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্যই এবং তারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমার এ বিপদে সওয়াব দান করুন এবং এর পরিবর্তে উত্তম কিছু দান করুন।
(সহীহ মুসলিম হা: ৯১৮)
© মাহমুদ হাসান
আল্লাহ ﷻ বলেছেন,
আর আমি অবশ্যই তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছু ভয়, ক্ষুধা এবং জান-মাল ও ফল-ফলাদির স্বল্পতার মাধ্যমে। (সূরা বাকারাহ:১৫৫)
প্রতিটি পরীক্ষাই বান্দার জন্য কল্যাণকর, প্রত্যেকটি পরীক্ষাই বান্দার জন্য নিআমত স্বরূপ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হে আল্লাহর রাসূল! দুনিয়াতে সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত কে?’ উত্তরে তিনি ﷺ বলেন, ‘‘নবিগণ। অতঃপর যারা (বৈশিষ্টে) তাঁদের নিকটবর্তী, অতঃপর যারা তাঁদের নিকটবর্তী। মানুষকে তার দ্বীন অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। দ্বীনি অবস্থান পাকাপোক্ত হলে পরীক্ষা কঠিন হয়। দ্বীনি অবস্থান দুর্বল হলে পরীক্ষাও শিথিল হয়। বিপদ-আপদ ঈমানদার ব্যক্তিকে পাপশূন্য করে দেয়। একসময় সে দুনিয়াতে নিষ্পাপ অবস্থায় বিচরণ করতে থাকে।’’ (সহিহুল জামি’:৯৯২)
নবী কারীম ﷺ বলেছেন,
একজন মু’মিনকে কোন কষ্ট, ব্যথা, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা বা উদ্বিগ্নতা ইত্যাদি আক্রান্ত করলে আল্লাহ তা‘আলা তার বিনিময়ে গুনাহ ক্ষমা করে দেন। (সহীহ মুসলিম:২৫৭৩)
প্রতিটি পরীক্ষাই বান্দার জন্য কল্যাণকর, প্রত্যেকটি পরীক্ষাই বান্দার জন্য নিআমত স্বরূপ।
রাসূলুল্লাহ ﷺ কে জিজ্ঞাসা করা হয়, ‘হে আল্লাহর রাসূল! দুনিয়াতে সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত কে?’ উত্তরে তিনি ﷺ বলেন, ‘‘নবিগণ। অতঃপর যারা (বৈশিষ্টে) তাঁদের নিকটবর্তী, অতঃপর যারা তাঁদের নিকটবর্তী। মানুষকে তার দ্বীন অনুযায়ী পরীক্ষা করা হয়। দ্বীনি অবস্থান পাকাপোক্ত হলে পরীক্ষা কঠিন হয়। দ্বীনি অবস্থান দুর্বল হলে পরীক্ষাও শিথিল হয়। বিপদ-আপদ ঈমানদার ব্যক্তিকে পাপশূন্য করে দেয়। একসময় সে দুনিয়াতে নিষ্পাপ অবস্থায় বিচরণ করতে থাকে।’’ (সহিহুল জামি’:৯৯২)
নবী কারীম ﷺ বলেছেন,
একজন মু’মিনকে কোন কষ্ট, ব্যথা, অসুস্থতা, দুশ্চিন্তা বা উদ্বিগ্নতা ইত্যাদি আক্রান্ত করলে আল্লাহ তা‘আলা তার বিনিময়ে গুনাহ ক্ষমা করে দেন। (সহীহ মুসলিম:২৫৭৩)
মুমিন নারী-পুরুষের উপর, তার সন্তানের উপর ও তার ধন-সম্পদের উপর অনবরত বিপদাপদ লেগেই থাকে। সবশেষে আল্লাহ্ তা'আলার সাথে সে গুনাহমুক্ত অবস্থায় মিলিত হয়। (তিরমিযী:২৩৯৯)
আল্লাহু আকবার, বিপদাপদও বান্দার জন্য কতবড় নিআমত।
নিম্নোক্ত দুয়াটি বিপদাপদে অত্যন্ত কার্যকর।
إِنَّا لِلّٰهِ وَإِنَّآ إِلَيْهِ رَاجِعُونَ، اللّٰهُمَّ أْجُرْنِي فِي مُصِيبَتِي وَاخْلُفْ لِي خَيْرًا مِنْهَا
উচ্চারণঃ "ইন্না- লিল্লা-হি ওয়া ইন্না- ইলায়হি র-জিউন, আল্ল-হুম্মা' জুৱনী ফী মুসীবাতী ওয়া আখলিফ লী খয়রাম মিনহা- ইল্লা- আখলাফাল্ল-হু লাহ খয়রাম মিনহা-” (দুয়া আরবি দেখে পড়া উত্তম)
অর্থ: আমরা একমাত্র আল্লাহ তা‘আলার জন্যই এবং তারই দিকে ফিরে যাব। হে আল্লাহ! আমার এ বিপদে সওয়াব দান করুন এবং এর পরিবর্তে উত্তম কিছু দান করুন।
(সহীহ মুসলিম হা: ৯১৮)
© মাহমুদ হাসান